আজ সোমবার| ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২১| ৫ আশ্বিন, ১৪২৮

একজন এনামুল হক শামীম || আমাদের বদলে যাওয়া ও বদলে দেয়ার গল্প

বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ১২:২৯ অপরাহ্ণ | 3819 বার

একজন এনামুল হক শামীম || আমাদের বদলে যাওয়া ও বদলে দেয়ার গল্প

একেএম এনামুল হক শামীম।

ক্ষুদে ছাত্র নেতা থেকে এখন পৌছে গেছেন মন্ত্রী পরিষদে। দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশ সরকারের পানি সম্পদ উপ-মন্ত্রী হিসেবে। দায়িত্ব পালন করেছেন ডাকসুর ভিপি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি, কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবেও।

তার ব্যক্তিগত জীবনে বদলে যাওয়ার গল্পটা অনেক দীর্ঘ হলেও শরীয়তপুরকে বদলে দেয়ার গল্পটি অনেক গতিশীল।

এই যে দুই বছর আগেও আমরা নিজেদের রাস্তা-ঘাট ও পারিপার্শ্বিক উন্নয়ন নিয়ে ভোগান্তিতে ছিলাম । বর্তমানে সরকারের হাত ধরে দেশের প্রতিটি প্রান্তরে যেভাবে উন্নয়নের ছোয়া লেগেছিল, বিপরীতে আমরা শরীয়তপুরবাসী ছিলাম হতাশাগগ্রাস্থ ও অবহেলিত। যখন অন্য অঞ্চলের ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় শুরু হয়ে যেতো জিও ব্যাগ ও বেড়ী বাঁধের কাজ। তখন আমরা নির্ঘুম কাঁটাতে পদ্মার ভয়ঙ্কর গর্জনে। বিদ্যুতে বিদ্যুতে যখন আলোকিত হয়ে উঠতো পার্শবর্তী জেলা গুলো তখন আমরা নির্ভর ছিলাম হ্যারিকেনের আলো কিংবা সৌরবিদ্যুতের উপর।

দু-বছর আগে শরীয়তপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য হোন এনামুল হক শামীম। একই সাথে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাকে পানিসম্পদ মন্ত্রনালয়ের উপ-মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেন। এর মধ্যে দিয়ে “শুরু হয় আমাদের দিন বদলের পালা”। অবহেলিত এ জনগোষ্ঠীর স্বপ্নগুলো বাস্তবে রুপ নিতে শুরু করে একে একে।

“গুরুত্বপূর্ণ একটি রাস্তাও বাদ যায়নি পিচ ঢালা থেকে”

সত্যিই অবাক হওয়ার মত, কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে প্রতিটি রাস্তার কাজ চলছে পুরো দমে। ইতোমধ্যে অনেক রাস্তার কাজ সম্পন্ন হয়ে গেছে। সখিপুর টু উত্তর তারাবুনিয়া, উত্তর তারাবুনিয়া টু দক্ষিন তারাবুনিয়া, সখিপুর টু ডিএম খালী, আনন্দবাজার টু স্টেশন, কার্তিকপুর টু দুলারচর, মমিন আলি টু গৌরাঙ্গবাজার, গৌরাঙ্গবাজারটু সখিপুর। সখিপুর টু ভেদরগঞ্জ, ভেদরগঞ্জ টু ডিএম খালী। জানা অজানা কত রাস্তার কাজ সম্পন্ন হচ্ছে এক কাতারে। অথচ দুই বছর আগেও এসব রাস্তার গুলোর বেহাল দশায় প্রতিনিয়ত ভোগান্তি ছিল আমাদের।

সড়কের উন্নয়নে যেমন উচ্ছাসিত আমাদের, এনামুল হক শামীমের হাত ধরে আজ তেমনি উচ্ছাসিত পদ্মার ভাঙ্গন কবলিত জনগন। বেড়িবাঁধের আর জিওব্যাগের ঝিলমিল রংয়ে এক বুক আশা তৈরী হয়েছে নড়িয়া-সখিপুরের জনগনের বুকে। উৎকন্ঠিত ধরফরানি বুকে আজ হাসির প্রতিধ্বনি বার বার। প্রতিজনের কৃতজ্ঞতা যেন এক একটি হৃদয় ছোয়ার গল্প।

চট্রগ্রামের মত একটি উন্নত শহরের শব্দ “সাবমেরিন ক্যাবল” এখন নড়িয়া উপজেলার চরাঞ্চলবাসীর মুখে মুখে। এটা যেন স্বপ্ন নয় স্বপ্নের চেয়েও অবাস্তবতা, যা বাস্তবে পরিনত হতে যাচ্ছে এ নেতার হাত ধরেই। ক্যাবলে ক্যাবলে বিদ্যুত পৌছে যাচ্ছে বিচ্ছিন্ন এ চরাঞ্চল গুলোতে। আলোর ঝলকানিতে আলোকিত হতে শুরু করবে অন্ধকারে আচ্ছন্ন চরাঞ্চলবাসী। এক স্বপ্ন ছিল যাদের হৃদয়ে হৃদয়ে।

একেএম এনামুল হক শামীম, এলাকার শত শত গৃহহীনদের জন্য করছেন পাকা ঘরের ব্যবস্থা,  বৃদ্ধের / প্রতিবন্ধী/ বিধবাদের জন্য বাড়িয়েছেন ভাতা ব্যবস্থা, করেছেন টিনের ব্যবস্থা, দুর্যোগ মহুর্তে ছড়িয়ে দিয়েছেন ত্রানের বহর ও নগদ অর্থ, নির্মান করেছেন নতুন ভূমি অফিস, বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র সব মিলিয়ে বদলে দিয়েছেন আমাদেরকে।

আমরাও বদলাতে চাই, টেক সই উন্নয়ন হোক শরীয়তপুরের প্রতিটি প্রান্তরে প্রান্তরে। কৃতজ্ঞতা আপনার প্রতি। এখন স্বপ্ন দেখি সখিপুর উপজেলার, এখন স্বপ্ন দেখি একটি শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের। যার প্রচেষ্টা অব্যহত রয়েছে আপনারই হাত ধরে।

লেখকঃ
“সাংবাদিক”


সর্বশেষ  
জনপ্রিয়  
ফেইসবুক পাতা
error: কপি করা নিষেধ !!